Inhouse product
হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রের ব্যবহারিক ক্ষেত্রের দরজাটি হচ্ছে- কেইস
টেকিং। একজন শিক্ষার্থীকে কেইস-টেকিং আয়ত্ব করতে হলে, একদিকে
যেমন তাকে জানতে হয় হোমিওপ্যাথিক দর্শন- যা
আসলে কেইস-টেকিংয়ের ভিত্তি, জানতে
হয় সিম্পটোমাটোলজি, এনাটমি, ফিজিওলজি, মনোবিজ্ঞান, পরিবেশ ও সমাজবিজ্ঞান সহ জ্ঞানের বহু কাণ্ডকে- অন্যদিকে তাকে অর্জন করতে হয় প্রশ্ন-কৌশল, ধৈর্য্য, সত্যকে বের করে আনার দক্ষতাসহ আরো বহুবিধ ব্যবহারিক গুণ। মূলত একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত ধারায় কেইস-টেকিং করবে কি করবে না- এই
সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করে তার সম্পূর্ণ ভবিষ্যত। সে কি হবে? সে
কি প্রকৃত আরোগ্যকারী ডাক্তার হবে? সে কি হোমিওপ্যাথিক জ্ঞানশাস্ত্রের গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করবে? নাকি
কেবল থেরাপিউটক এপ্রোচকে ভিত্তি করে কেবল সর্দি-কাশি-ফোঁড়া সারিয়ে যাবে? আবার একইভাবে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বলতে যা বোঝায়, তার যথার্থতা লুকিয়ে আছে সঠিক ফলো-আপ ও ম্যানেজমেন্টের উপর- যার
পুরোটাই নির্ভর করে সঠিকভাবে কৃত কেইস রেকর্ডের উপর। আর এ দুটো বিষয়ের বিভিন্ন
দিক ও পর্যায়ের, সেই সাথে এর সাথে অপরিহার্য প্রাসঙ্গিক ব্যাপারগুলোই এই গ্রন্থটির বিষয়বস্তু। গ্রন্থটি একজন শিক্ষার্থী বা নতুন চিকিৎসককে প্রদান করবে তার চিকিৎসক হবার অপরিহার্য যোগ্যতা।